আতাউর রহমান ভূঁইয়ার অভিযোগ, ৭ জানুয়ারির ভোটগ্রহণ চলাকালে জাল ভোট ও কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের প্রতিবাদ করায় নৌকার সমর্থকেরা তাঁকে নানা হুমকি দিয়েছিলেন। যার জের ধরে তিনি (শহিদুজ্জামান) খুন হতে পারেন বলে তাঁর অভিযোগ।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নৌকা প্রতীকের বিজয়ী সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ১০ বছর তিনি নোয়াখালী-২ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ এই সময়ে এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচারে নেমেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য সোনাইমুড়ী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বাদী শারমিন আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি দুই সন্তান নিয়ে ঘটনার ২০-২২ দিন আগে বাবার বাড়িতে যান। তাঁর অবর্তমানে স্বামী শহিদুজ্জামান পূর্ব মির্জানগর গ্রামের নতুন বাড়িতে একা থাকতেন এবং মুরগি ও মাছের খামার দেখাশোনা করতেন। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে স্বামীর সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। এরপর রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে পূর্ব শত্রুতাবশত অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাঁর স্বামীকে গুলি করে হত্যা করে।

0 Comments